উদ্ধারকৃত ল্যাবটপ ও মোবাইল। ছবি : পুলিশ

ছিনতাইয়ের শিকার লিডিং ইউনিভার্সিটি প্রভাষক, গ্রেফতার ৩ ছিনতাইকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং এর প্রভাষক ফরহাদ হোসেন ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। ছিনতাই হওয়ায় ৩টি মোবাইলের মধ্যে ১টি মোবাইল ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া ছিনতাইয়ে জড়িত ৩ ছিনতাইকারীও পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬৪ ধারায় গ্রেফতারকৃতরা আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।

এমন তথ্য বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ আগস্ট ভোর রাতে ঢাকা থেকে সিলেট নগরের চৌখিদেখির বাসায় ফিরছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক প্রভাষক ফরহাদ হোসেন। ভোর ৪টা ৩৫মিনিটে তিনি শাহজালাল ব্রিজ পার হওয়ার সময় ছিনতাইকারীর কবলে পরেন এবং ৩ ছিনতাইকারী তার রিক্সা গতিরোধ করে হাঁটুর উপর ছোরা দিয়ে আঘাত করে ১টি ল্যাপটপ, ৩টি মোবাইল সেট, নগদ ৫হাজার টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সোহেল রেজা পিপিএম’র নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. ইসমাইল পিপিএম (বার) সহ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ অভিযানে নামে। একপর্যায়ে ঘটনার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিনতাইকারী সিলেট মহানগরীর মোগলাবাজার থানার সিলাম মাঝপাড়ার হোসেন মিয়ার ছেলে শুভ আহমদ আরিয়ান (২৩)-কে নগরের ভাবনা পয়েন্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ছিনতাইকারী শুভ’র প্যান্টের পকেটে ছিনতাইকৃত মোবাইল সেট পাওয়া যায়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরের কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার কানিশাইল ময়না মিয়ার কলোনি হইতে সহযোগী ছিনতাইকারী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নতুনপাড়া এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে জনি দাস (২০) ও অপর গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী জগন্নাথপুর উপজেলার সাচানী গ্রামের আলিফ মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানকালে ছিনতাইকারী জনির কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া লিডিং-এর প্রভাষক ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ২য় আদালত’র বিচারক সাইফুর রহমান আদালতে গ্রেফতারকৃতদের উপস্থাপন করলে ছিনতাইকারী শুভ ও রাজু স্বেচ্ছায় ঘটনার দায় স্বীকার করেন এবং তাদের জবানবন্দি ফৌ:কা:বি ১৬৪ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধ করেন বিচারক।

জবানবন্দি লিপিবদ্ধ শেষে আসামীদেরকে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ :




Facebook Page


Scroll Up