সর্বশেষ সংবাদ:
জগন্নাথপুরে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে বাড়ি বাড়ি গেলেন শাহ্ নুরুল করিম সংসদীয় এলাকায় ১০ হাজার মাস্ক, গ্লাভস ও সাবান দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী জগন্নাথপুরে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিয়ের আয়োজন, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা জগন্নাথপুরে অসহায়দের পাশে একতা শিক্ষানুরাগী যুব সংঘ ওসমানীনগরে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে শিক্ষক পরিবার হাসপাতাল-ক্লিনিক-চেম্বার বন্ধ থাকলে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা সংকটেও মতলববাজরা সক্রিয়, সতর্ক থাকার আহ্বান কাদেরের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হতেই অসহায় মানুষের পাশে লুৎফুর মিয়া কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনাগুলো কি ছিল ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিলেন ছাত্রলীগ নেতা বাড়িভাড়া ও ব্যাংক লোন-সংক্রান্ত প্রচারটি গুজব কালবৈশাখী ঝড়ে কিশোরীর মৃত্যু, ২ বোন আহত শ্রমজীবীদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন শংকর চন্দ্র দাস দায়িত্ব পালনের সময় মাস্ক পরার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্যে করোনায় ২৪ ঘন্টায় ৫৬৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৪২৪৪ গোলাপগঞ্জে কুশিয়ারায় ভাসছে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ দিনমজুর ও শ্রমজীবীদের মাস্ক, সাবান ও হ্যান্ড স্যানেটাইজার দিলেন জহিরুল ইসলাম স্পেনে লাগামহীন হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী করোনা, ২৪ ঘন্টায় ৯৫০ জনের প্রাণহানি বড়লেখায় সরকারি গুদামের ৩২ বস্তা চাল উদ্ধার, আটক ১ সুনামগঞ্জে ডাক্তারদের পিপিই দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

করোনাযুদ্ধ : যারা দিন এনে দিন খায়, তাদের কী হবে উপায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করা নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে ইতোমধ্যে অনেক দেশ লকডাউন করা হয়েছে। আমাদের পাশ্ববর্তি দেশ ভারত ২১ দিনের লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। আমাদের দেশও লকডাউনের পর্যায়ে রয়েছে। রাস্তায় কিংবা বাসা বাড়িতেও অবাধে চলাফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে সচেতনতামুলক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইতোমধ্যে গ্রাম গঞ্জের হাট বাজারগুলো থেকে শুরু করে শহরের সব দোকানপাঠ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহনও বন্ধ রাখা হয়েছে। আর সেসব নির্দেশনা পালন করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী। কারণ আমাদের বাংলাদেশও রয়েছে ভয়ানক সংক্রমণব্যাধি করোনা ঝুঁকিতে। ইতোমধ্যে চারজনের মুত্যৃ হয়েছে। আক্রান্তও হয়েছেন প্রায় ৩৯ জনের মতো। আজ থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে সেনাবহিনীর টহল পুরোদমে চলছে। সংকটময় এমন পরিস্থিতে ঘরে বসে থাকাই উত্তম।

Advertisement

আমাদের এই বাংলাদেশের গ্রাম কিংবা শহরে দিন এনে দিন খায় মানুষের অভাব নেই। গ্রাম গঞ্জের হাট বাজার থেকে শুরু করে শহরের ফুটপাতে ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা কিছু অর্থ উপার্জন করে দুমুঠো ডাল ভাত দিচ্ছেন পরিবারের মুখে। এছাড়াও বাসা বাড়িতে দিন মজুর হিসেবে অনেকেই কাজ করে কিছু অর্থ উপার্জন করে কোনভাবে পরিবারের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। গ্রাম গঞ্জের রাস্তা থেকে শুরু করে শহরের ছোট ছোট রাস্তাগুলোতে রিকশাচালকরা দিন এনে দিন খায়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে তাদের কী হবে উপায়?

দেশের সব শিল্প কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কারখানা শ্রমিকদের প্রনোদনা হিসেবে ৫০০০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষনা দিয়েছেন। এছাড়াও নিম্নআয়ের ব্যক্তিদের ‘ঘরে-ফেরা’ কর্মসূচির আওতায় নিজ নিজ গ্রামে সহায়তা প্রদান করা হবে। গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, ৬ মাসের খাদ্য এবং নগদ অর্থ প্রদান করার আশ্বাস দিয়েছেন। যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারের পাশাপাশি আমাদের সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো কঠিন এ পরিস্থিতি মোকাবেলা আমাদের জন্য আরও সহজ হবে।

Advertisement

গাড়ির চাকা আজ থেকে পুরোদমে বন্ধ, ভেবে দেখুন তাহলে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর কী হবে? বর্তমান এই কঠিন সময়ে সমাজের সকল বিত্তবানরা তাদের পাশে দাড়ানোর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসা সবার নৈতিক দায়িত্ব। ব্যবসায়ী ভাইদের প্রতি অনুরোধ নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের হাহাকার আরো দীর্ঘ না করে বর্তমান ‘করোনাযুদ্ধে’ মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।

Advertisement

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ 👇


Facebook Page


Scroll Up