সর্বশেষ সংবাদ:
হায় মধ্যবিত্ত! রোটারী ক্লাব সিলেট গার্ডেন ভিউ’র উদ্যোগ ও প্রবাসীদের অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ প্রাথমিকের সংসদ টেলিভিশন ক্লাসের রুটিন প্রকাশ করোনাকালে শবে বরাত : ঘরে বসে ইবাদত করার আহ্বান পরিকল্পনামন্ত্রীর রাজধানীতে একই পরিবারের ৬ জন করোনা আক্রান্ত মৌলভীবাজারে মারা যাওয়া মুদি দোকানদার জেলার প্রথম করোনা আক্রান্ত করোনা : সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় টেস্ট কিটসহ চিকিৎসা সামগ্রী পাঠালেন পরিকল্পনামন্ত্রী চৌগাছায় ২ মাথা, ৪ হাত ও ৪ পা বিশিষ্ট শিশুর জন্ম কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও রাহেলের উদ্যোগে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও খ্যাদ সামগ্রী বিতরণ ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ কানাইঘাটে বখাটের ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী আহত, হামলাকারী আটক নামাজ শেষ করে আইভি শুনতে পান করোনায় নিউইয়র্কে মারা গেছেন তিনি ব্রিটেনে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, ২৪ ঘন্টায় ৭০৮ জনের মৃত্যু সিলেটে প্রথম করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক ভুঁয়া লন্ডনীকন্যা সেজে বিয়ে, অত:পর তিনবোন জগন্নাথপুরে গ্রেফতার স্বামীকে ‘ভিডিওকলে’ রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা করোনা ইস্যুতে চীনের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির আবেদন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য ‘আমরা হাত ধুয়ে কি করব, যদি পেটে ভাত না থাকে?’ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অন্তঃসত্বা বান্ধবী করোনা আক্রান্ত

সিলেটে প্রবাসী রোগির অর্ধেক অস্ত্রোপচার করে ‘ডাক্তার’ বললেন সরি!

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে ‘অনুমোদনবিহীন’ এক হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে ব্যর্থ হয়ে রোগী ফেলে চিকিৎসক চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন রোগী ও তার স্বজনরা।

সোমবার রাতে নগরের ‘সিলেট ট্রমা সেন্টার এন্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল’-এ ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement

এদিকে এ ঘটনায় রোগীর স্বজনরা অভিযোগ তুলেছেন জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক অর্থোপেডিক সার্জন সুমন মল্লিকের বিরুদ্ধে। পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন শুরু করে মাঝপথে রোগীকে বিপাকে ফেলেছেন বলে দাবি তাদের।

জানা গেছে, কাতার প্রবাসী মনছুফ মিয়া গোড়ালিতে ভেঙে গেলে প্রবাসে থাকতেই সেখানে প্লেট লাগান। প্লেট অপসারণের জন্য দুই সপ্তাহ আগে অর্থোপেডিক সার্জন সুমন মল্লিকের শরনাপন্ন হন। তার পরামর্শে তিনি ভর্তি হন সিলেট ট্রমা সেন্টার নামের এই হাসপাতালে।

Advertisement

মনছুফ মিয়ার স্বজনরা জানান, অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে ২০ টাকা জমা রেখে সোমবার রাতে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। অস্ত্রোপাচার শুরুর ১০ মিনিট পরেই চিকিৎসক এসে জানান, সরি। অস্ত্রোপচার সফল হয় নি।

এই চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়, বিদেশে নিয়ে যেতে হবে। এরপর জমাকৃত ২০ হাজার টাকার মধ্যে আট হাজার টাকা রোগীর স্বজনদের ফিরিয়ে দেবার নির্দেশ দিয়ে চলে যান চিকিৎসক।

এ বিষয়ে অস্ত্রোপচারে ব্যর্থ চিকিৎসক ডা. সুমন মল্লিক জানান, মেকানিক্যাল সমস্যার কারণে অপারেশন করা সম্ভব হয়নি। কারণ তারা বিদেশে যে স্ক্রুটি লাগিয়েছে সেটা খুলতে যে ডিভাইস লাগে সেটা আমাদের কাছে নাই। তাই অপারেশন সম্পন্ন করা যায়নি।

কোন ডিভাইসের প্রয়োজন সেটা না জেনে কেন অস্ত্রোপচার শুরু করা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশে প্লে লাগানোর কারণে আমি জানতাম না স্ক্রু’টি খুলতে কোন ধরণের কোন ধরণের ডিভাইস লাগে। তাছাড়া তাদের কাছে কোনো ডকুমেন্টস ও ছিল না। আমি অস্ত্রোপচার শুরু করার পর দেখলাম এটি খোলার ডিভাইসটি নেই। তাই শেষ না করে ফের সেলাই করে রেখে দিয়েছি।

এদিকে এ ঘটনার পর বেরিয়ে আসে আসে বিশেষায়িত নামের এই হাসাপাতালের নানা অনিয়মের চিত্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন ছাড়াই চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। নেই পরিবেশের ছাড়পত্রও। এছাড়া এখানে নেই কোন আবাসিক চিকিৎসক বা সার্জন। তবে সিলেট সিটি করেপারেশন ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত ট্রেড লাইসেন্স দিয়েই চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম।

এ ব্যাপারে হাসাপাতালের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক জয়নাল আবেদীন বলেন, আমাদের ট্রেড লাইসেন্স আছে, হাসপাতালের অনুমোদনের জন্য তিন মাস পূর্বে সিভিল সার্জনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালের উপ পরিচালকের দায়িত্বে থাকা সাবেক সিভিল সার্জন ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, কোনো অবস্থাতেই অনুমোদন ছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো যায় না। আর সিভিল সার্জন দপ্তর হাসপাতালের অনুমোদন দেয় না। যে বা যারা এমন কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে চালাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) দেবপদ রায় বলেন, আমরা অচিরেই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবো।

Advertisement

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ 👇


Facebook Page


Scroll Up