1. [email protected] : admin : Md. Munna MIah
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Emad uddin Akash : Emad uddin Akash
  4. [email protected] : Peer Jubaer : Peer Jubaer
  5. [email protected] : Sayad hussen sobuj : Sayad hussen sobuj
  6. [email protected] : Md. Usman Gani : Md. Usman Gani
  7. [email protected] : Zakaria Ahmed : Zakaria Ahmed
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটে কাল থেকে করোনা শনাক্তকরণ শুরু

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০

  • বিশেষ প্রতিবদক :: প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটে আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পলিমেরেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) মেশিনের মাধ্যমে করা হবে এ পরীক্ষা। প্রতিদিন ৯৪ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা যাবে এ মেশিনে। শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সিলেট হলেও এর ফলাফল (রিপোর্ট) ঢাকা থেকে প্রকাশ করা হবে। এমনটাই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, সনাক্তকরণ পরীক্ষার ফল সিলেট থেকে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর)-এ প্রেরণ করা হবে। এরপর প্রাত্যহিক ব্রিফিং এই রিপোর্টগুলো প্রকাশ করবে আইইডিসিআর।

    জানা যায়, প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটকে করোনা সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেন বিশেষজ্ঞরা। এরপর অন্যান্য জায়গায় করেনা শনাক্তকরণের মেশিন বসানো হলেও সিলেট থাকে বঞ্চিত। এ ক্ষোভ ছড়িয়ে পরে সকল সিলেটীদের মধ্যে। এরপর সিলেটে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার মেশিন বসানোর উদ্যোগ নেয় সরকার। গত ১ এপ্রিল সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পিসিআরসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রেরণ করা হলে হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি ও ভাইরোলজি ল্যাবকে পিসিআর মেশিন স্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

    এদিকে, রোববারই সিলেটে প্রথম কোনো ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পেশায় চিকিৎসক ওই ব্যক্তি ওসমানী হাসপাতালেই কর্মরত ছিলেন। এছাড়া মৌলভীবাজারের রাজনগরে মারা যাওয়া এক মুদি দোকানদারের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।

    ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি ও ভাইরোলজি বিভাগের ল্যাবের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখানে স্থাপনকৃত পিসিআর মেশিনের একটি সিঙ্গেল সাইকেলে প্রতিদিন ৯৪টি নমুনা সনাক্ত করা যাবে। এই পরীক্ষা করতে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ও সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। পরীক্ষার জন্য ল্যাবে মেডিকেল কলেজের ৪ জন অধ্যাপক ও ১০ জন টেকনিশিয়ান প্রতিদিন কাজ করবেন। এই পরীক্ষা করাতে কোনো ফি দেওয়া লাগবে না।

    তবে এই পরীক্ষা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। চিকিৎসকরা যাদের পরীক্ষার প্রয়োজন মনে করবেন এবং সিলেট বিভাগের ৪টি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে যে নমুনাগুলো আসবে সেগুলো এখানে পরীক্ষা করা হবে।

    এ ব্যাপারে ওসমানী মেডিকেল কলেজের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য আমরা ওসমানী মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি ও ভাইরোলজি ডিপার্টমেন্টে ল্যাবের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। যদি মেশিন ফাংশনাল হয়ে যায় তবে মঙ্গলবার থেকেই এই ল্যাবে করোনাভাইরাস শনাক্ত কার্যক্রম শুরু হবে।

    তিনি জানান, নমুনা প্রিপারেশনের উপর নির্ভর করে দিনে একদিনে কতটি পরীক্ষা করা যাবে। তবে মেশিনের একটি সিঙ্গেল সাইকেলে প্রতিদিন ৯৪টি নমুনা শনাক্ত করা যায়। এই পরীক্ষার জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। তবে কেনো রোগী এই ল্যাবে প্রবেশ করতে পারবে না। এবং কেউ ল্যাবে এসে নমুনা দিতে পারবেন না। এই চিকিৎসকরা যাদের প্রয়োজন মনে করবেন এবং বিভিন্ন উপজেলা থেকে যে নমুনাগুলো আসবে সেগুলোই আমরা পরীক্ষা করবো। এছাড়া কারো বাসাবাড়ি থেকে বলা হলে আমাদের যারা এই দায়িত্বে আছেন তারা গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবেন। এ ব্যাপারে আমাদের একটি চেইন ডেভলাপ হয়েছে। সেভাবেই আমরা নমুনা সংগ্রহ করবো।

    ডা. হিমাংশু লাল রায় আরও বলেন, এই পরীক্ষার ফলাফল আমরা স্থানীয় ভাবে জানাবো না। আমরা আইইডিসিআরকে এই পরীক্ষার ফলাফল জানাবো। এতদিন কেন্দ্রীয়ভাবে আইইডিসিআর যেভাবে তথ্য জানিয়েছে সেভাবেই এই ল্যাবের রিপোর্টের তথ্য সেখানে যাবে। পরবর্তীতে যদি আমাদেরকে বলা হয় স্থানীয়ভাবে ফলাফল প্রকাশের তখন আমরা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেব।






















    © জেপি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৮ - ২০২০