সর্বশেষ সংবাদ:
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসচাপায় মা-ছেলে নিহত জৈন্তাপুরে চোরাকারবারি জয়নাল গ্রেফতার বিপিএলে কে কোন দলের নেতৃত্ব দেবেন? শতাধিক শিক্ষার্থীকে বাঁচাল মুসলিম ছাত্রী সিলেটে শতাধিক বাসা দখলকারী কে এই রেসনা? সৌদিতে নির্যাতনের শিকার জগন্নাথপুরের কিশোরীকে ফেরাতে পরিকল্পনামন্ত্রীর ডিও লেটার সিলেটে দৈনিক তালাকপ্রাপ্ত হচ্ছেন ১০-১৫ জন নারী আফগানিস্তানে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ২৫ জঙ্গি নিহত ৪ জানুয়ারি শুরু হবে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ‘৪১টি বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করবে নগর এক্সপ্রেস’ সিলেটে বিএনপির ২৯ নেতাকর্মীর জামিন লাভ ফেঞ্চগঞ্জের শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী জাহাঙ্গীর লোহার পাত দিয়ে পিটিয়ে মাকে হত্যা করলো পাষণ্ড ছেলে অবৈধ পানির সংযোগে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করল সিসিক ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচন : ৪ বঙ্গকন্যাকে নিয়ে আলোচনার ঝড় ১৭২ বছর পর অগ্নিবলয় সূর্য়গ্রহণ দেখা যাবে ২৬ ডিসেম্বর স্যান্ডেল দেখে ডোবায় তল্লাশি, পাওয়া গেল দুই শিশুর লাশ ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজের গুঁড়ো আর সেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রিয়াঙ্কা-ফারহানের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল বুধবার দুই ঘন্টা বন্ধ থাকবে শাহজালাল বিমানবন্দর

শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ

হাওরবাংলা ডেস্ক:: আজ ১০ নভেম্বর, শহীদ নূর হোসেন দিবস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে এক অবিস্মরণীয় দিন।

১৯৮৭ সালের এই দিনে এরশাদ সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন নূর হোসেন। এ দিন হাজারো প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে জীবন্ত পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন। তার বুকে-পিঠে উৎকীর্ণ ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ -এই জ্বলন্ত স্লোগান।গুলিতে আরও শহীদ হন যুবলীগ নেতা নুরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ বিরোধী দলগুলো ১১ ও ১২ নভেম্বর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঘোষণা করে। গণতন্ত্রকামী মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন, ফলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন আরও গতি পায়। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে এরশাদের ৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটে, পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় গণতন্ত্র।নূর হোসেনের জন্ম ১৯৬১ সালে।

পৈতৃক বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ঝাটিবুনিয়া গ্রামে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তার পরিবার স্থান পরিবর্তন করে ঢাকার ৭৯/১ বনগ্রাম রোডে আসে। বাবা মুজিবুর রহমান ছিলেন পেশায় অটোরিকশা চালক। তার মায়ের নাম মরিয়ম বিবি। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর নূর হোসেন পড়াশোনা বন্ধ করে মোটর চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন।এরশাদের পদত্যাগের পর বাংলাদেশে দুটি হ্যাঁ-না ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, এতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এর এক বছর পর সরকারের পক্ষ থেকে নূর হোসেনের মৃত্যুর দিনটি সরকারিভাবে উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়।দিনটিকে প্রথমে ঐতিহাসিক ১০ নভেম্বর দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলেও আওয়ামী লীগ এটিকে শহীদ নূর হোসেন দিবস করার জন্য সমর্থন দেয় এবং এই নামটি এখন পর্যন্ত বহাল রয়েছে।

১৯৯৬ সালে এরশাদ, নূর হোসেনের মৃত্যুর জন্য জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তার দল জাতীয় পার্টি এখন ১০ নভেম্বরকে গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, আলোচনা সভা, সেমিনার।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ 👇